হেফাজত-বিএনপি গোপন যোগাযোগ বহাল
বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব #সৈয়দ_মোয়াজ্জেম_হোসেন_আলাল বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলেই আওয়ামী লীগ এখন হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের রাজনীতিতে হেফাজত বা ইসলামী দলগুলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকবে বলে মনে হয় না। অতীতেও খেলাফত মজলিসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে ঠিকই তারা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। তিনি বলেন, এ সখ্য কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যের সঙ্গে যায় না। তাই হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক বা সমঝোতা নিয়ে আমরা ততটা উদ্বিগ্ন নই। বরং জাতির কাছে আওয়ামী লীগের আসল চেহারাটাই উন্মোচিত হয়েছে।
শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি-হেফাজত সম্পর্কে ফাটল ধরাতে নানা মাধ্যমে সরকার চেষ্টা চালাতে থাকে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। এর অংশ হিসেবে বিএনপি জোট থেকে কৌশলে ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোটকে বের করে নেয়া হয়। আমিনীর সঙ্গে হেফাজত আমীরের সুসম্পর্ক ছিল। আমিনী চলে যাওয়ায় বিএনপির সঙ্গে হেফাজতের যোগাযোগের বড় একটি মাধ্যম সাময়িক সময়ের জন্য হাতছাড়া হয়।
বিএনপির সঙ্গে হেফাজতকে বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতাসীনদের কৌশল বুঝতে পেরে দলটির নীতিনির্ধারকরাও নড়েচড়ে বসেন। সংগঠনটির সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে উদ্যোগ নেয়া হয়। আমিনীর নেতৃত্বে ঐক্যজোট বেরিয়ে গেলে একটি অংশকে জোটে রাখা হয়। ওই অংশটি এখন বিএনপির হয়ে হেফাজতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে হেফাজতের যে অংশটির যোগাযোগ রয়েছে তাদের বিরোধী অংশকে কাছে টানা হয়। ঢাকা মহানগরে হেফাজতের মূল নেতৃত্বে থাকা আমিনীর ছেলে ও মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর মধ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব কাজে লাগায় তারা। ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর কাসেমীকে কাছে টানে বিএনপি। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎও করেন তিনি। হেফাজত ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কাসেমীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যা এখনও অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ যেসব নেতা ২০ দলীয় জোটে আছেন তাদেরও কাজে লাগাচ্ছে।
বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব #সৈয়দ_মোয়াজ্জেম_হোসেন_আলাল বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলেই আওয়ামী লীগ এখন হেফাজতের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করছে। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটের রাজনীতিতে হেফাজত বা ইসলামী দলগুলো আওয়ামী লীগের সঙ্গে থাকবে বলে মনে হয় না। অতীতেও খেলাফত মজলিসের সঙ্গে আওয়ামী লীগের চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে ঠিকই তারা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে। তিনি বলেন, এ সখ্য কোনোভাবেই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যের সঙ্গে যায় না। তাই হেফাজতের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক বা সমঝোতা নিয়ে আমরা ততটা উদ্বিগ্ন নই। বরং জাতির কাছে আওয়ামী লীগের আসল চেহারাটাই উন্মোচিত হয়েছে।
শাপলা চত্বরের ঘটনার পর বিএনপি-হেফাজত সম্পর্কে ফাটল ধরাতে নানা মাধ্যমে সরকার চেষ্টা চালাতে থাকে বলে মনে করেন বিএনপি নেতারা। এর অংশ হিসেবে বিএনপি জোট থেকে কৌশলে ফজলুল হক আমিনীর নেতৃত্বে ইসলামী ঐক্যজোটকে বের করে নেয়া হয়। আমিনীর সঙ্গে হেফাজত আমীরের সুসম্পর্ক ছিল। আমিনী চলে যাওয়ায় বিএনপির সঙ্গে হেফাজতের যোগাযোগের বড় একটি মাধ্যম সাময়িক সময়ের জন্য হাতছাড়া হয়।
বিএনপির সঙ্গে হেফাজতকে বিচ্ছিন্ন করার ক্ষমতাসীনদের কৌশল বুঝতে পেরে দলটির নীতিনির্ধারকরাও নড়েচড়ে বসেন। সংগঠনটির সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারে উদ্যোগ নেয়া হয়। আমিনীর নেতৃত্বে ঐক্যজোট বেরিয়ে গেলে একটি অংশকে জোটে রাখা হয়। ওই অংশটি এখন বিএনপির হয়ে হেফাজতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে হেফাজতের যে অংশটির যোগাযোগ রয়েছে তাদের বিরোধী অংশকে কাছে টানা হয়। ঢাকা মহানগরে হেফাজতের মূল নেতৃত্বে থাকা আমিনীর ছেলে ও মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর মধ্যে নেতৃত্বের দ্বন্দ্ব কাজে লাগায় তারা। ইসলামী ঐক্যজোট ২০ দল থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর কাসেমীকে কাছে টানে বিএনপি। দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার গুলশান কার্যালয়ে সাক্ষাৎও করেন তিনি। হেফাজত ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর থেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কাসেমীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যা এখনও অব্যাহত আছে। একই সঙ্গে হেফাজতের গুরুত্বপূর্ণ যেসব নেতা ২০ দলীয় জোটে আছেন তাদেরও কাজে লাগাচ্ছে।

No comments:
Post a Comment