জাগ্রত কবি মুহিব খান এর ওয়াল থেকে৷
-------------------------
যদি বলি, আজ একটা ঐতিহাসিক ভুলের সূত্রপাত হতে যাচ্ছে।
আপনি বলবেন, আরে নাহ, সবকিছু ঠিক রেখেই তো হচ্ছে। আমাদের মজবুত সব শর্ত মেনেই তো দিচ্ছে।
বলবো, এভাবে আস্থা আর আদর দিয়ে কাছে নিয়েই কুরবানির রশি পেঁচানো হয়। সময় মতো ধাক্কা দিয়ে ফেলে জাপটে ধরে জবাই।
বলবেন, হতাশাই দেখেন, আশা দেখেন না!
বলবো, জবাই হওয়ার আগে আপনিই বলবেন, আশা দেখিয়েছিলেন কেন?
বলবেন, মুরব্বীরা কী বোঝেন না?
বলবো, আরও আগের মুরব্বীরা কী বুঝতেন না! পতনের আগে যে এমনই হয়।
বলবেন, ভারত পাকিস্তানে হলে এখানে সমস্যা কী?
বলবো, ভারতে মুসলমানরা সংখ্যালঘুর আইনী স্বীকৃতি পায়, পাকিস্তানে পায় সংখ্যাগুরুর মর্যাদা। আর বাংলাদেশে! এখানের রাজনৈতিক বাস্তবতা অত্যন্ত জটিল, এখানে প্রতিপক্ষের অবস্থান ও ষড়যন্ত্রের কাঠামোই আলাদা। ব্যাপারটা এতো সরল না। এটা সবাই বুঝবেও না।
বলবেন, স্বীকৃতি না নিয়ে জঙ্গী সাব্যস্ত হতে চান?
বলবো, আলিয়া ও ভার্সিটিও কী জঙ্গী নজরদারীর বাইরে?
বলবেন, এলেম ও সনদ একসাথে পেলে ক্ষতি কী!
বলবো, আলিয়াতে পড়লেই পারতেন!
বলবেন, ওখানে তো আমল আখলাকের ঘাটতি।
বলবো, এখানেও তাই হবে, অপেক্ষা করুন। এমনিতেও ভেতরের অবস্থা বা এ প্রজন্মের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ।
বলবেন, আপনি কী খুব প্রবীণ?
বলবো, খুব না হলেও- এখন যারা ফারেগ হচ্ছেন, তাদের শিশুকালে ফারেগ হয়েছিলাম।
বলবেন, তা ঠিক আছে হযরত, কিন্তু তরুণরা তো উন্মুখ, তাদের চোখে অনেক স্বপ্ন।
বলবো, তরুণ বলেই ওরা এখনো মন দিয়ে চিন্তা করে, মস্তিষ্ক দিয়ে নয়।
বলবেন, আপনাকে তো আধুনিক মনে করতাম।
বলবো, আমি শিকল ছেঁড়ার আধুনিক, শিকড় ছেড়ার নই।
বলবেন, কী রকম?
বলবো, সংস্কার ও সমৃদ্ধিই বেশি প্রয়োজন ছিলো, স্বীকৃতির দড়ি নয়।
বলবেন, আজকের দিনটিতে আপনি তাহলে খুশি নন!
বলবো, নবীনদের অবুঝ আনন্দে প্রবীণদের ঠোঁটের কোণ হাসলেও কপালের ভাঁজ হাসে না।
বলবেন, তাহলে কী করা!
বলবো, অপেক্ষা, আজকের দিনটি ইতিহাসে অলংকৃত না কলঙ্কিত হয়ে থাকে, তাই দেখার অপেক্ষা।
বলবেন, শেষ বক্তব্য!
বলবো, তর্ক করার রুচি নেই, আপনার ভিন্নমত আপনার কাছেই থাক, আমার কথায় কেউ কষ্ট নেবেন না, আমি এমনই।
-------------------------
যদি বলি, আজ একটা ঐতিহাসিক ভুলের সূত্রপাত হতে যাচ্ছে।
আপনি বলবেন, আরে নাহ, সবকিছু ঠিক রেখেই তো হচ্ছে। আমাদের মজবুত সব শর্ত মেনেই তো দিচ্ছে।
বলবো, এভাবে আস্থা আর আদর দিয়ে কাছে নিয়েই কুরবানির রশি পেঁচানো হয়। সময় মতো ধাক্কা দিয়ে ফেলে জাপটে ধরে জবাই।
বলবেন, হতাশাই দেখেন, আশা দেখেন না!
বলবো, জবাই হওয়ার আগে আপনিই বলবেন, আশা দেখিয়েছিলেন কেন?
বলবেন, মুরব্বীরা কী বোঝেন না?
বলবো, আরও আগের মুরব্বীরা কী বুঝতেন না! পতনের আগে যে এমনই হয়।
বলবেন, ভারত পাকিস্তানে হলে এখানে সমস্যা কী?
বলবো, ভারতে মুসলমানরা সংখ্যালঘুর আইনী স্বীকৃতি পায়, পাকিস্তানে পায় সংখ্যাগুরুর মর্যাদা। আর বাংলাদেশে! এখানের রাজনৈতিক বাস্তবতা অত্যন্ত জটিল, এখানে প্রতিপক্ষের অবস্থান ও ষড়যন্ত্রের কাঠামোই আলাদা। ব্যাপারটা এতো সরল না। এটা সবাই বুঝবেও না।
বলবেন, স্বীকৃতি না নিয়ে জঙ্গী সাব্যস্ত হতে চান?
বলবো, আলিয়া ও ভার্সিটিও কী জঙ্গী নজরদারীর বাইরে?
বলবেন, এলেম ও সনদ একসাথে পেলে ক্ষতি কী!
বলবো, আলিয়াতে পড়লেই পারতেন!
বলবেন, ওখানে তো আমল আখলাকের ঘাটতি।
বলবো, এখানেও তাই হবে, অপেক্ষা করুন। এমনিতেও ভেতরের অবস্থা বা এ প্রজন্মের অবস্থা আগের চেয়ে অনেক খারাপ।
বলবেন, আপনি কী খুব প্রবীণ?
বলবো, খুব না হলেও- এখন যারা ফারেগ হচ্ছেন, তাদের শিশুকালে ফারেগ হয়েছিলাম।
বলবেন, তা ঠিক আছে হযরত, কিন্তু তরুণরা তো উন্মুখ, তাদের চোখে অনেক স্বপ্ন।
বলবো, তরুণ বলেই ওরা এখনো মন দিয়ে চিন্তা করে, মস্তিষ্ক দিয়ে নয়।
বলবেন, আপনাকে তো আধুনিক মনে করতাম।
বলবো, আমি শিকল ছেঁড়ার আধুনিক, শিকড় ছেড়ার নই।
বলবেন, কী রকম?
বলবো, সংস্কার ও সমৃদ্ধিই বেশি প্রয়োজন ছিলো, স্বীকৃতির দড়ি নয়।
বলবেন, আজকের দিনটিতে আপনি তাহলে খুশি নন!
বলবো, নবীনদের অবুঝ আনন্দে প্রবীণদের ঠোঁটের কোণ হাসলেও কপালের ভাঁজ হাসে না।
বলবেন, তাহলে কী করা!
বলবো, অপেক্ষা, আজকের দিনটি ইতিহাসে অলংকৃত না কলঙ্কিত হয়ে থাকে, তাই দেখার অপেক্ষা।
বলবেন, শেষ বক্তব্য!
বলবো, তর্ক করার রুচি নেই, আপনার ভিন্নমত আপনার কাছেই থাক, আমার কথায় কেউ কষ্ট নেবেন না, আমি এমনই।

No comments:
Post a Comment